আমি তোমাকে ভালোবেসেছি, যখন জানি না, কাকে বলে ভালোবাসা! হৃদয়ের কোন্ অনুভব অনুভূতির নাম ভালোবাসা! শুধু জানতাম, তোমার পাপড়িতে পাপড়িতে আমার জন্য ছিলো শান্তি! তোমার পরশে ভুলে যেতাম, জীবনে আমার কোন কষ্ট আছে!তুমি আবার এসেছো আমার জীবনে। তোমাকে স্বাগতম, হে প্রিয় পুষ্প! আমি তোমার স্বপ্ন দেখি দিনের আলোতে! আমি তোমার ছবি আঁকি রাতের জোসনায়!! আমি তোমার জন্য মালা গাঁথি রাঙা প্রভাতে বাগানে ফুল কুড়িয়ে!! আমি তোমার জন্য পথ চেয়ে থাকি বিষণ সন্ধ্যায় পাখীরা যখন ফিরে আসে নিজ নিজ নীড়ে!!***হতাশার যন্ত্রণায় আজ একেবারে ভেঙ্গে পড়েছি। কাছের মানুষ দূরের হয়ে যখন আঘাত করে, কোমল হৃদয় সে আঘাতে ক্ষত বিক্ষত হয়! আমারো হৃদয় আজ তেমনি একজনের দেয়া আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। তবে আমি ভেঙ্গে পড়তে চাই না। আমার সাধ্য সমান্য, তবু আমি প্রমাণ করতে চাই; নিজের পায়ে আমি দাঁড়াতে পারি! আসমানের মদদ হলে নিজের পায়ে আমি চলতে পারি।আমার আদরের ছোট্ট বোনটি তখন এসে আদুরে গলায় বললো, চোখ বন্ধ করো; আনন্দে আত্মহারা হবে এমন কিছু তোমার হাতে দেবো। মনে মনে বললাম, খুশী হবো, আমার আল্লাহ যদি আমাকে খুশী করেন। সত্যি আনন্দে আমি আত্মহারা হলাম! আল্লাহ তাঁর বান্দীকে সত্যি খুশী করলেন! তবু আমরা বুঝি না! তবু আমার তাঁর হামদ-শোকর আদায় করি না! ছোট্ট বোনটি আমার কোলে কিছু একটা রেখে বলে, নাও, এবার চোখ খোলো! চোখ খুলে দেখি, আমার কোলে আমার হৃদয়! আমার স্বপ্ন! আমার সান্ত¡না! আমার পুষ্প!! বে-ইখতিয়ার বুকে জড়িয়ে ধরলাম, বহু দিন পরে পাওয়া আমার প্রিয় পুষ্পকে! কী শান্তির, কী প্রশান্তির অনুভূতি যে হলো...! হায়, আমার এ দুর্বল কলম কীভাবে আঁকবে হৃদয়ের সেই অনুভূতির ছবি!আরাকানসংখ্যা! হঠাৎ করে অনেকগুলো বেদনা ও যন্ত্রণা যেন একসঙ্গে আমাকে...! হৃদয় ক্ষতবিক্ষত হলো! সেই ক্ষত থেকে ফোঁটা ফোঁটা রক্ত ঝরলো! প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত শুধু ব্যথিত দৃষ্টি বুলিয়ে গেলাম। প্রতিটি লেখার শিরোনামেই যেন রক্তের ঘ্রাণ! শুধু অনুভব করতে চেয়েছি, কত দরদ-ব্যথা; কত উত্তাপ-উচ্ছ্বাস নিয়ে লেখাগুলো জন্ম! আমাদের মত অক্ষমদের জন্য আরাকানসংখ্যা কত বড় সান্ত¡না এবং সময়ের কত বড় দাবী তা অনুভব করার...!(আমাতুল্লাহ ইমরানা/১৫/৬/৩৯ হি.)০০ তোমার প্রতিদিনের রোযনামচা সুন্দর ও মর্মস্পর্শী! কিন্তু... তোমার লেখা পেয়ে খুব খুশী হয়েছি। লিখতে থাকো এবং কলমের সান্ত¡না গ্রহণের চেষ্টা করো। কলম যেন হয় তোমার কলবের বন্ধু! জীবনের পথ কুসুমাস্তীর্ণ হয় না! তবে চলার পথে যারা অবিচল থাকে, পথের কাঁটাগুলোও একসময় তাদের জন্য ফুল হয়ে যায়!
যিনি নেতৃত্ব ও অভিভাবকত্বের অবস্থানে রয়েছেন তার প্রতি আস্থায় যদি ফাটল ধরে, তার কথায়, আশ্বাসে ও প্রতিশ্রুতিতে যদি বিশ্বাস রাখা সম্ভব না হয়, এর চেয়ে লজ্জার, বেদনার ও আশঙ্কার বিষয় আর কী হতে পারে! আস্থাকে বলা হয় অমূল্য সম্পদ। এটা উভয় দিক থেকে। যার প্রতি আস্থা রাখা হচ্ছে তার জন্য যেমন তেমনি যে আস্থা রাখতে পারছে তার জন্যও।সন্তান যদি পিতার, ছাত্র যদি শিক্ষকের, সমাজ যদি সমাজপতির এবং জাতি যদি নেতার প্রতি এবং ছোট যদি বড়র প্রতি আস্থা রাখতে না পারে তাহলে উভয়ের জন্যই এটা বড় দুর্ভাগ্যের বিষয়। বিপরীত দিক থেকেও একই কথা।আমাদের প্রত্যেকেরই কর্তব্য হলো যে কোন মূল্যে জীবনকে আস্থার সম্পদে সমৃদ্ধ করা।আস্থাহীন জীবন ও প্রাণহীন দেহ, একই রকম।