শিশু-কিশোর ও নবীনদের পত্রিকা

মাসিক আল-কলম-পুষ্প

মুহাররম ১৪৪৫ হিঃ | পুষ্পকলি

নিয়মিত রোযনামচা! সুন্দর অতীত! সুশৃঙ্খল বর্তমান! উজ্জ্বল ভবিষ্যত! সফল জীবন!

পুষ্পকলিদের রোযনামচা

আজ আমার খুশির দিন। আজ হুযূর আমাদের গল্প শোনাবেন! প্রতি শনিবারে হুযূর আমাদের গল্প শোনান। সুন্দর সুন্দর গল্প। গল্প থেকে অনেক কিছু শেখা হয়। জাদীদ হুযূর সুন্দর করে গল্প বলেন। গত শনিবার শুনিয়েছেন বদরের ঘটনা। আমাদের অনেক ভালো লেগেছে। 

 ১৯/৭/৪৪ হিজরী

ফায়ছাল, মাদানী মক্তব, ২য় শ্রেণী 

***

আজ শুনলাম; গতকালের ঘটনা! খুব দুঃখের ঘটনা! তুরস্কে ভ‚মিকম্প হয়েছে! পুরো শহর মাটির সঙ্গে মিশে গিয়েছে! হাজার হাজার মানুষ মারা গিয়েছে। অনেক শিশু মারা গিয়েছে।শুনে আমার অনেক কষ্ট হলো! আমার খুব ভয় হলো! আমাদের দেশে যদি ভ‚মিকম্প হয়, তাহলে কত বড় বিপদ হবে! আয় আল্লাহ্! তুমি আমাদের মাফ করো, তুমি আমাদের রক্ষা করো।তুরস্কের ভ‚মিকম্পে যারা মারা গিয়েছে, আর যারা বেঁচে আছে, সবার জন্য আমরা দু‘আ করলাম। হুযূর আমাদের নিয়ে মসজিদে দু‘আ করলেন।

 ১৫/০৪/৪৪ হি. বুধবার

মুহম্মদ ইবরাহীম খান মাদানী মাক্তাব, দ্বিতীয় শ্রেণী

***

আজ আমাদের হুযূরের সঙ্গে অনেক্ষণ কথা বলার সৌভাগ্য হয়েছে। আলহামদু লিল্লাহ্! হুযূর আমাকে অনেক সুন্দর সুন্দর উপদেশ দিয়েছেন। হুযূরের উপদেশগুলো আমার খুব ভালো লেগেছে।হুযূর বলেছেন, কেউ যদি তোমাকে কষ্ট দেয়, তুমি তাকে মাফ করে দিয়ো। তাহলে কী হবে! আল্লাহ্ অনেক খুশী হবেন, খুশী হয়ে তোমাকে অনেক ইলম দেবেন। তোমাকে অনেক নেয়ামত দেবেন।আমাদের নবীজীকে যারা কষ্ট দিতো, তিনি তাদের মাফ করে দিতেন। মানুষকে মাফ করে দেয়া হলো নবীজীর সুন্নত!কত সুন্দর উপদেশ! ইনশাআল্লাহ্ আমি সবাইকে মাফ করে দেবো, তাহলে আল্লাহ্ আমাকে মাফ করে দেবেন। 

 ১৭/৬/৪৪ হি. বুধবার

ওমায়র আব্দুল্লাহ্, মাদানী মক্তব, ৪র্থ শ্রেণী


***

রাতে জানালা দিয়ে দেখি, আকাশে অনেক তারা। যেন সাদা সাদা ফুল! আমি অনেক্ষণ তাকিয়ে থাকলাম, আমার খুব ভালো লাগলো।তারাদের আলোকসজ্জা কার দান! আল্লাহ্র দান!একদিন দেখি, আকাশে কী সুন্দর চাঁদ, কী মিষ্টি জোসনা! আমি জোসনার আলোতে ছাদেই ঘুমিয়ে পড়লাম, আর সুন্দর একটি স্বপ্ন দেখলাম....  কিন্তু স্বপ্নটা শেষ না হতেই ঘুমটা ভেঙ্গে গেলো...

১০/৭/৪৪ হি. বৃহস্পতিবার

আহসানুল্লাহ্ মাদানী মক্তব, দ্বিতীয় শ্রেণী

***

প্রিয় আশিকুল মুরসালীন/ মাদানী মক্তব-

তোমার ৭/৬/৪৪ হি.র রোযনামচা পড়েছি। কত সুন্দর লিখেছো! কোন বানান ভুল নেই! লেখার মধ্যে কোন জড়তা নেই। কলম থেকে যেন শব্দের ঝরণা বয়ে চলেছে!তুমি নিয়মিত রোযনামচা লিখতে থাকো, একদিনও যেন বাদ না যায়, আল্লাহ্ তোমার ভালো করুন।


 ***

আজ হুযূর আমাদের একটি সুন্দর গল্প শুনিয়েছেন। গল্পটা হলো একজন মানুষের, যে সবার উপকার করে, সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলে, সবাইকে দান করে, আর যারা তাকে কষ্ট দেয় তাদের সে মাফ করে দেয়।আমিও গল্পের মানুষটির মত হবো, ইনশাআল্লাহ্। তাহলে আল্লাহ্ আমাকে অনেক ইলম দান করবেন, তারপর আখেরাতে জান্নাত দেবেন। জান্নাতে কত আনন্দ হবে! আব্বা-আম্মাকে যেন আল্লাহ্ জান্নাত দান করেন। আজ মাগরিবের পর আমি হুযূরকে দেখেছি... আমার খুব ভালো লেগেছে! 

আফীফ বিন ছাগীর

১৮/৬/৪৪ হি.

০০ মা-বাবার জন্য জান্নাতের দু‘আ করেছো, তুমি তো খুব ভালো ছেলে! হুযূরের জন্যও দু‘আ করো, আর দু‘আ করো এই বুড়ো মানুষটির জন্য। আমিও দু‘আ করি তোমাদের জন্য।

***

আজ আমার হঠাৎ মনে পড়লো আদীব হুযূরের কথা। আদীব হুযূর কত কষ্ট করেন আমাদের জন্য! তবু কেন আমরা আদীব হুযূরকে কষ্ট দেই! আমার সব কিতাব তো আদীব হুযূর নিজে লিখেছেন কত কষ্ট করে কত রাত জেগে!আল্লাহ্ যেন আদীব হুযূরকে শান্তিতে রাখেন, আমীন।আমাদের আগে যারা ছিলো মাদানী মক্তবে, তাদের লেখা তো পুষ্পে ছাপা হতো। তারা ছিলো পুষ্পের পুষ্পকলি! আমরাও তো এখন পুষ্পকলি! আমাদের কেন ছাপা হয় না পুষ্পের পাতায় পুষ্পকলির আসরে।আবার কবে ফিরে আসবে আমাদের প্রিয় পুষ্প! কবে ছাপা হবে আমাদের লেখা পুষ্পকলির আসরে! আমার লেখা যদি পুষ্পে ছাপা হতো, আব্বু-আম্মু কত খুশী হতেন! না, আমি শুধু লিখবো আল্লাহকে খুশী করার জন্য!

৭-৫-৪৪ হি.

আরাফাত, মাদানী মক্তব, তৃতীয় শ্রেণী

০০ এই তো ভালো ছেলের কত ভালো কথা! আর এই যে, দেখো, পুষ্প তার সব সুবাস নিয়ে এসে গিয়েছে তোমার কাছে! নাকটা কাছে আনো, একটু ঘ্রাণ নাও! আচ্ছা, তোমার হাতের লেখা কি আরেকটু সন্দর হতে পারে না!  চেষ্টা করে দেখো না!


***

সিলেটের সুনামগঞ্জে যে মাদানী মক্তব আছে, আমাদের হুযূর সেখানে গিয়েছিলেন। কয়েকদিন থেকেছেন। আজ ফিরে এসেছেন।মাগরিবের পর মসজিদে মজলিস হলো। হুযূর সুনামগঞ্জের ছেলেমেয়েদের কথা বললেন, তারা কত কষ্টের মধ্যে কত ছবরের সঙ্গে লেখা পড়া করে!শুনে আমরা অবাক হলাম, আর প্রতিজ্ঞা করলাম, আমরা আরো ছবরের সঙ্গে আরো ভালোভাবে লেখাপড়া করবো এবং আরো ভলো হবো, ইনশাআল্লাহ্! 

২৬/৬/১৪৪৪ হি. সোমবার,

হোযায়ফা, মাদানী মক্তব, চতুর্থ শ্রেণী


***

প্রিয় পাঠক! এখানে একটি লেখা ছিলো! হঠাৎ চিন্তায় এসেছিলো। লিখেছিলাম, মনে হলো, সুন্দর হয়েছে! বরং অতি সুন্দর! আজ মধ্যরাতের পর দেখি, লেখাটি নেই; মুছে গিয়েছে! কীভাবে, জানি না! শোকর আদায় করেছিলাম কি না, মনে নেই! কল্পনা করতে পারো, কেমন কষ্ট হচ্ছে!সান্ত¡না পাওয়া চেষ্টা করলাম, এ কথা ভেবে যে, সবই আল্লাহ্র ইচ্ছা। আর আল্লাহ্র ইচ্ছার কাছে নিজেকে অর্পণ করার মধ্যেই হলো আমাদের কল্যাণ! আরো বহু সম্পদনা ও ত্রæটিসংশোধন মুছে গিয়েছে! আবার দেখতে হবে! কাজ অনেক বেড়ে গেলো! কী করার আছে, ইস্তিগফার ছাড়া! আল্লাহ্, তুমি মাফ করে দাও!এখান থেকেই তৈরী হলো নীচের বাণী ও বচন!প্রিয় পাঠক, তোমার সঙ্গে এখানে একটু কথা বলে, বলতে পেরে বড় সান্ত¡না হলো! জেগে আছো তো! শুনছো তো!               

(১৭/১/৪৫ হি. রাত ১: ৪১)

***

আজ আমি খুব খুশী। কারণ আজ বরই দেয়া হয়েছে। বরই আমার খুব প্রিয়। বরইগুলো দেখেই মনে হয়েছে, খুব মিষ্টি হবে। আমরা খুব মজা করে বড়ই গ্রহণ করেছি।প্রথমে ভাবলাম, একটা খাবো, একটা রেখে দেবো, পরে খাওয়ার জন্য। পরে ভাবলাম, যখন আমি একা একা বরইটা খাবো তখন তো অন্য ভাইদের কষ্ট হবে। তাই রেখে দেয়া ঠিক হবে না। তাই সবার সঙ্গেই খেয়ে ফেললাম। আলহামদু লিল্লাহ্!

আব্দুল্লাহ বিন ইমদাদুল্লাহ, মাদানী মক্তব, চূড়ান্ত স্তর

০০ মাশা‘আল্লাহ্! তুমি তো খুব ভালো ছেলে! কত সুন্দর চিন্তা করেছো! আশা করি, সহপাঠী যারা, যাদের তুমি ভাই বলো, আশা করি তারাও তোমারই মত সুন্দর চিন্তা করে।এখানে ছোট্ট একটা সমস্যা হয়েছে, তুমি বরই লিখেছো ড় দিয়ে। তাতে স্বাদ অবশ্য কমেনি, কী বলো!


***

আজ বৃহস্পতিবার, আমার মনে আজ অনেক আনন্দ। আজ আমি একটি গাছ লাগিয়েছি, খেজুর গাছ। খেজুরের চারাটি যখন রোপণ করি, আমার মনে তখন আনন্দের ঢেউ ছিলো। আমার খুব ভালো লেগেছে ভাবতে যে, আমি বড় হবো, আমার সঙ্গে চারাটিও বড় হবে! তখন আর চারা বলবো না, বলবো গাছ। আমিও বড় হবো, তখন কেউ আমাকে শিশু বলবে না, বলবে...! ভাবতে ভালো লেগেছে, গাছে একদিন ফল হবে। ফল হলেই তো মানুষ গাছটি ভালো বাসবে! আমিও যদি বড় হয়ে ভালো সুস্বাদু ফল দিতে পারি, তাহলে মানুষ আমাকে ভালোবাসবে, আল্লাহ্ আমাকে ভালোবাসবেন।সাফওয়ান, আউয়াল, ২য় শ্রেণী, মাদানী মক্তব।*** আজ বৃহস্পতিবার, আমার মনে আজ অনেক আনন্দ। আজ আমি একটি গাছ লাগিয়েছি, খেজুর গাছ। খেজুরের চারাটি যখন রোপণ করি, আমার মনে তখন আনন্দের ঢেউ ছিলো। আমার খুব ভালো লেগেছে ভাবতে যে, আমি বড় হবো, আমার সঙ্গে চারাটিও বড় হবে! তখন আর চারা বলবো না, বলবো গাছ। আমিও বড় হবো, তখন কেউ আমাকে শিশু বলবে না, বলবে...! ভাবতে ভালো লেগেছে, গাছে একদিন ফল হবে। ফল হলেই তো মানুষ গাছটি ভালো বাসবে! আমিও যদি বড় হয়ে ভালো সুস্বাদু ফল দিতে পারি, তাহলে মানুষ আমাকে ভালোবাসবে, আল্লাহ্ আমাকে ভালোবাসবেন।সাফওয়ান, আউয়াল, ২য় শ্রেণী, মাদানী মক্তব।

***

প্রিয় যায়েদ, তুমি লিখেছো, আজ আব্বু-আম্মুর সঙ্গে তোমার কথা বলার তারিখ, তাই তোমার মনে আনন্দ যেন আর ধরে না!তোমার বয়সে আমি এত সুন্দর করে লিখবো কী, কলমই তো ধরতে জানতাম না। তোমার লেখাটি পড়ি, আর ভাবি, আহ্! এমন সুন্দর মক্তব যদি আমার শৈশবে হতো!তুমি তো এখন মাদানী মক্তবের দ্বিতীয় শ্রেণীর তালিবে ইলম। তোমার সামনে এখন রয়েছে দীর্ঘ সময় এবং দীর্ঘ সুযোগ! আল্লাহ্র উপর ভরসা করে সামনে এগুতে থাকো। তাহলে আল্লাহ খুশী হবেন।

***

পিয় আবূ হোরায়রা! তোমার সামনে সুস্বাদু খাবার এসেছে, আর তোমার মনে পড়েছে ঐ শিশুদের কথা যারা ক্ষুধায় কষ্ট পায়। তোমার মনের অনুভ‚তি আমার খুব ভালো লেগেছে। আরো ভালো লেগেছে, তোমার প্রতিজ্ঞার কথা পড়ে।দু‘আ করি, বড় হয়ে তোমার প্রতিজ্ঞা যেন পূর্ণ হয়। খিদমতে খালকের কাজে নিজেকে তুমি যেন উৎসর্গ করতে পারো, আমীন। 

***

আগে বুঝতাম না ক্ষুধার কষ্ট!আগে বুঝতাম না ক্ষুধার কষ্ট কেমন! মায়ের আঁচলের নীচে ছিলাম তো! ক্ষুধা লাগলেই কাঁদতাম, আর মা ছুটে আসতেন; খেতে দিতেন।এখন কিছুটা হলেও বুঝি ক্ষুধার কষ্ট! এখন তাই গরীবের জন্য অনেক মায়া হয়। ওদেরও তো ক্ষুধা লাগে। কিন্তু খেতে পায় না!আল্লাহ্ যেন সব গরীবের ক্ষুধা দূর করে দেন।

২৭-৫-৪৪ হি. বৃহস্পতিবার

রাইয়ান, তৃতীয় শ্রেণী, মাদানী মক্তব

০০ তুমি তো দেখি মাদানী মক্তবের বদনাম করে ছাড়বে! তোমার মা শুনলে তো কেঁদেই অস্থির হবেন! আহারে আমার বাছা না খেয়ে কত কষ্ট করছে!তিন বেলা বড় দস্তরখান, আর কয়বেলা যেন হালকা দস্তরখান! এত খেলে পড়বে কখন! তবু ভালো, গরীবের কথা তোমার মনে পড়েছে!


***

আজ যিম্মাদার হুযূর সফর থেকে ফিরেছেন। আমরা হুযূরের সঙ্গে দেখা করেছি, আলহামদুলিল্লাহ। হুযূর মাগরিবের নামায আমাদের সঙ্গে পড়লেন। তারপর আমাদের খোঁজখবর নিলেন। যিম্মাদার হুযূর খুব মিষ্টি ভাষায় কথা বলেন, আমাদের খুব ভালো লাগে। আমাদের একভাই শীতের টুপী পরেছে। তাতে ইংরেজি লেখা ছিলো। হুযূর সেটা দেখে কষ্ট পেলেন। হুযূর আমাদের বললেন, ইংরেজী ভাষায় কোন দোষ নেই। এভাষাও আল্লাহর দান। দাওয়াতের জন্য আমরাও ইংরেজি শিখবো। তবে এভাষায় যারা কথা বলে, তারা মুসলিম জাতির উপর অনেক নির্যাতন করেছে। তাই শরীরে ও মনে এভাষাকে আমরা জায়গা দেবো না! তাছাড়া এতে আরবীভাষার প্রতি অমর্যাদা হয়।...মাদানী মক্তবে আমরা কত চিন্তার কথা শুনতে পাই! আলহামদু লিল্লাহ্!

১৩/৬/৪৪ হি. শনিবার

মুস্তাকীম, মাদানী মক্তব, ৪র্থ শ্রেণী


***

মুহম্মদ ইসহাক, মাদানী মক্তব, চতুর্থ শ্রেণী!

তুমি লিখেছো, বাগানে দু’টি ফুল ফুটেছে। তুমি ফুলদু’টিকে স্পর্শ করেছো এবং ঘ্রাণ নিয়েছো। ফুলের সুবাস তোমার হৃদয়কে স্পর্শ করেছে। তোমার ইচ্ছা হয়েছিলো, ফুলদু’টি গাছ থেকে... কিন্তু ফুলের কষ্ট হবে, তাই...!খুব ভালো করেছো তুমি ফুলকে মায়ের কোলে থাকতে দিয়ে!তুমি লিখেছো! ফুল থেকে অনেক বড় একটি শিক্ষা পেয়েছো। তোমার মনে হয়েছে তোমাকে সুবাসের ভাষায় কিছু উপদেশ দিয়েছে।ভালোই লিখেছো, কামনা করি, বড় হও এবং ফুলের সুবাস গ্রহণ করে ফুলের মত হও! স্পর্শ করা মানে ছোঁয়া, ঠিক বানান লিখেছো, দেখে খুশী হলাম।

 


***

প্রিয় সা‘দ বিন যিয়া, মাদানী মক্তব, ২য় শ্রেণী

তুমি তো খুব সুন্দর চিন্তা করেছো! মানুষ কত কিছু আবিষ্কার করে! কত কিছু তৈরী করে। হাওয়ার জাহায, পানির জাহায। তুমি প্রশ্ন করেছো, মানুষকে এত বুদ্ধি কে দিয়েছেন? তারপর তুমি নিজেই বলেছো, মানুষকে এত বুদ্ধি আল্লাহ্ দিয়েছেন! কত সুন্দর চিন্তা। আবিষ্কারে মূর্ধন্য-ষ হবে, তুমি জানো দেখে খুব ভালো লেগেছে। বানানে নির্ভুল হওয়া খুব ভালো। তারপর তুমি লিখেছো, এই যে বাগানে বাগানে এত ফুল, কে সৃষ্টি করেছেন? বিশ^জগত কে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ্ সৃষ্টি করেছেন....তোমার লেখা বেশ সুন্দর!